সেনা মোতায়েন ও ‘না’ ভোট চালুর পরামর্শ

নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া, সবার আস্থা অর্জন ও ভোটের আগেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের প্রস্তাব * সহায়ক সরকারের প্রস্তাব * আমন্ত্রিত ৫৯ জনের মধ্যে উপস্থিত ৩৩ * কাজী রকিব কমিশন ও দশম সংসদ নির্বাচনের সমালোচনা * বিতর্কিত আমলা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব না দেয়া * নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের পরামর্শ

0
33

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং ইলেকশন কমিশনকে (ইসি) সবার আস্থা অর্জনের পরামর্শ দিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিধান ফিরিয়ে আনা, দলীয় আনুগত্য ও পক্ষপাতমূলক কর্মকর্তাদের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ না দেয়ার কথা বলেন। বক্তাদের অনেকেই নির্বাচনকালীন সরকারের ধরনসহ বিভিন্ন মত তুলে ধরেন। তাদের কেউ কেউ নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়ার প্রস্তাব করেন। আবার কেউ কেউ নির্বাচনের সময় জনপ্রশাসন, অর্থ, স্থানীয় সরকার ও তথ্যসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ ইসির হাতে রাখার প্রস্তাব দেন।
সোমবার ইসি আয়োজিত প্রথম দিনের সংলাপে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এসব কথা ব

লেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ধারাবাহিক সংলাপের অংশ হিসেবে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এ সংলাপ। এতে সুশীল সমাজের ৫৯ প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে প্রত্যাশামতো কথা বলতে পারবেন না এ আশঙ্কায় কয়েকজন সংলাপে অংশ নেননি। তারা চিঠি দিয়ে ইসিকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছেন। এরপরও প্রথম দিন ৩৮ জন উপস্থিত ছিলেন। তবে ইসির রেজিস্টারে স্বাক্ষর করেছেন ৩৩ জন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন শারীরিকভাবে অসুস্থ ও বিদেশে অবস্থান করায় সংলাপে অংশ নিতে পারেননি। আমন্ত্রিত অতিথিদের বাইরে দু’জন সংলাপে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের অনুষ্ঠান থেকে চলে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ সংলাপ চলে। সংলাপে উঠে আসা সুপারিশের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধানের আঙ্গিকে যা গ্রহণযোগ্য হবে তাই নেয়া হবে। এর বাইরে কিছুই গ্রহণ করতে  বিস্তারিত…